গত দুই বছর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) একচ্ছত্র রাজত্ব ছিলো ফরচুন বরিশালের। চলতি বছরেও বিপিএলের আসরে বরিশালের সেই আধিপত্য দেখার জন্য প্রহর গুনছিলো ক্রিকেটপ্রেমীরা। তবে ভক্তদের সেই আশার আলোতে জ্বল ঢেলে দিয়েছে তামিমের বরিশাল। দলটির মালিক জানিয়েছে এবছর বিপিএলে বরিশালের অংশগ্রহণ করা সম্ভব হবে না।
এর আগে, চলতি মাসের গত ১২ অক্টোবর বিপিএলের দ্বাদশ আসরের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি চেয়ে বিজ্ঞাপন দেয় বিসিবি। আগ্রহ প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে ১৪ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এ বিজ্ঞাপন দেখে অনেক প্রতিষ্ঠান ফ্র্যাঞ্চাইজি হতে চেয়েছে বলে জানান বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু। ২৮ অক্টোবরের পর প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদন পর্যালোচনা করে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা দেওয়া হতে পারে।
এরইমধ্যে ফরচুন বরিশালের মালিক মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ডিসেম্বরে বিপিএল হলে ফরচুন বরিশালের অংশ নেওয়া সম্ভব হবে না। কারণ হিসেবে তিনি জানান, স্বল্প সময়ে বাজেট জোগাড় করা কঠিন তাদের জন্য। তবে আগামী বছর নতুন স্লটে বিপিএল আয়োজন করা হলে সেক্ষেত্রে তার দল অংশগ্রহণ করবে।
এর আগেও একই সুরে কথা বলেছিলেন মিজানুর রহমান। ক্রিকবাজের প্রতিবেদন, ফরচুন বরিশাল আসন্ন আসরের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় টুর্নামেন্টের সময়সূচি পুনরায় বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছিলো বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলকে।
বরিশাল মনে করছে অল্প সময়ের প্রস্তুতিতে দল গঠন, খেলোয়াড়দের নিশ্চিতকরণ ও অন্যান্য লজিস্টিক বিষয়ে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এ কারণে তারা চায় টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার তারিখ আরও পিছিয়ে দেওয়া হোক যাতে দলগুলো যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে অংশ নিতে পারে।
বিসিবির দেওয়া সময় প্রসঙ্গে মিজানুর রহমান বলেছিলেন, আমাদের যদি খেলোয়াড় থাকেও তবুও আমাদের অর্থসংস্থান, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনা, খেলোয়াড়দের আনা, এই সবকিছু করতে হবে। এই স্বল্প সময়ে আমরা ২৪ ঘণ্টা কাজ করলেও এসব কিছু গুছানো সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, বিসিবির কাছে আমি আলাদা একটি স্লট চেয়েছি। যদি সময়টা পরিবর্তন করা হয়, তাহলে আমরা খেলব… কারণ আমরা সবসময় খেলাধুলার সাথেই ছিলাম, এবং এখনো আছি।
এমএ