বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনের শহীদ ডা. মিলনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ডা. মিলনের এই আত্মত্যাগ দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে এমন একটি অনিবার্য বাঁকে নিয়ে গিয়েছিল, যা পরিবর্তনের পথ সুগম করেছিল।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) ডা. শামসুল আলম মিলন দিবস উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ডা. মিলনের রক্তঝরা মৃত্যু ৯ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকে ‘চূড়ান্ত বিজয়ের পথে ধাবিত’ করেছিল। গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ছিল মিলনের দৃঢ় অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে তিনি গণতন্ত্রের বিজয় এনেছিলেন। এই পথ ধরেই দেশে স্বৈরাচারের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রা শুরু হয়।
বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন, পতিত আওয়ামী সরকারের গত ১৬ বছরে মানুষের সব অধিকার কেড়ে নিয়ে গণতন্ত্রকে কবরস্থ করেছিল। জনগণ তাদের মালিকানা হারিয়েছিল।
৫ আগস্টের ‘ছাত্র–জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে’ বিজয়ের মধ্য দিয়ে দেশ নতুনভাবে স্বাধীনতা পেলেও ‘দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে দেশি–বিদেশি চক্রান্ত’ এখনো থেমে নেই। তবে জাতীয় ঐক্য অটুট থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হতে পারবে না।
এসময় শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগ সবসময় আমাদের প্রেরণা জোগাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারেক রহমান।
এমএ