ইরানে দেশজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। একটি পর্যবেক্ষক সংস্থার বরাতে জানা গেছে, রাজধানী তেহরানের বাইরে কোম শহরসহ পশ্চিমাঞ্চলীয় বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও অস্থিরতা আরও বেড়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ হুঁশিয়ারির পর ইরান তার সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রেখেছে। তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার হুমকি দিয়ে জানিয়েছে, পাল্টা জবাব দিতে তারা কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না এবং হামলার শিকার হওয়ার আগেই পদক্ষেপ নিতে পারে।
ইরানের একটি মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে, চলমান বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রা রিয়ালের ব্যাপক অবমূল্যায়নের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট থেকেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তায় আগুন জ্বালানো, সরাসরি গুলিবর্ষণ এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ও কঠোর কৌশল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। তবে সরকারি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, দাঙ্গাকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি দিন দিন আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।