মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে বিনোদ খান্নার অন্তরঙ্গ দৃশ্য এবং সেই দৃশ্যের শুটিংয়ে মাধুরীর ঠোঁট কেটে যাওয়ার ঘটনা বহু বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে শুধু মাধুরীই নয়, বিনোদের সঙ্গে ছবির কাজ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন ডিম্পল কাপাডিয়াও।
১৯৯২ সালে মহেশ ভাট পরিচালিত ‘প্রেম ধর্ম’ ছবির শুটিং চলাকালে এই ঘটনার সূত্রপাত। এক অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং হচ্ছিল। ক্যামেরার পেছনে মহেশ ভাট, সামনে ডিম্পল ও বিনোদ। দৃশ্যটি শট দেয়ার সময় মহেশ ভাট ‘অ্যাকশন’ বলতেই বিনোদ চিত্রনাট্য অনুযায়ী ডিম্পলকে চুম্বন করেন ও জড়িয়ে ধরেন। পরিচালক দৃশ্যটি আরও আবেগপূর্ণ করতে ‘আরেকটা টেক’ নিতে বলেন।
দ্বিতীয়বার শট শুরুর পর ‘কাট’ বললেও বিনোদ থামেননি। বরং ডিম্পলকে আঁকড়ে ধরে চুম্বন চালিয়ে যেতে থাকেন। পরিচালক বারবার থামতে বললেও তাতে কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে মহেশ ভাট নিজেই ছুটে গিয়ে ডিম্পলকে বিনোদের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেন।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় ডিম্পল এতটাই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন যে, সরাসরি মেকআপ রুমে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেঁদেছেন। পরে মহেশ ভাট ও বিনোদ খান্না দুজনেই তার কাছে ক্ষমা চান।
পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে বিনোদ খান্না বলেন, “অনেক দিন পর এমন দৃশ্য করছিলাম। আবেগ সামলাতে পারিনি। তাছাড়া, ‘কাট’ বলাটাও আমার কানে পৌঁছায়নি।”
এর আগেও ১৯৮৮ সালে ফিরোজ খান পরিচালিত ‘দয়াবান’ ছবির একটি দৃশ্যে মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে চুম্বন দৃশ্য নিয়ে বিতর্কের জন্ম হয়। সেখানে মাত্র ২১ বছর বয়সী মাধুরীর বিপরীতে ছিলেন ৪২ বছরের বিনোদ খান্না। দৃশ্যটির শুটিংয়ে বিনোদ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাধুরীর ঠোঁটে কামড়ে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে এই ঘটনার জন্য মাধুরীর কাছে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।