ইরানের রাজধানী তেহরানে তেলের মজুত রাখার কয়েকটি ডিপোতে হামলার কথা নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)। হামলার পর তেহরানের আকাশে ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।
আইডিএফ জানিয়েছে, জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংকগুলোর ওপর চালানো এটি একটি ‘উল্লেখযোগ্য হামলা’। তাদের দাবি, ইরানের শাসকগোষ্ঠী এসব জ্বালানি ট্যাংক সরাসরি ও নিয়মিতভাবে সামরিক অবকাঠামো পরিচালনায় ব্যবহার করে।
অন্যদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈরুতের একটি হোটেলে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত চারজন নিহত এবং আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার সময় হোটেলটিতে দক্ষিণ লেবানন ও বৈরুতের দক্ষিণ উপশহর থেকে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা লোকজন আশ্রয় নিয়েছিলেন। সম্ভাব্য আরও হামলার আশঙ্কায় অনেককে ভবনটি ছেড়ে চলে যেতে দেখা গেছে।
আইডিএফ টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, তারা একটি ‘সুনির্দিষ্ট হামলা’ চালিয়েছে, যার লক্ষ্য ছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের লেবানন কোরের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার। দাবি করা হয়েছে, তারা বৈরুত থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন।
কুদস ফোর্স হলো আইআরজিসির বিদেশে পরিচালিত সামরিক কার্যক্রমের বিশেষ শাখা।
এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে আইডিএফ জানায়, তারা লেবানন কোরের অস্থায়ী কমান্ডার দাউদ আলিজাদেহকে হত্যা করেছে।
এক বিবৃতিতে আইডিএফ অভিযোগ করেছে, কুদস ফোর্স ইসরায়েল রাষ্ট্র ও তার বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিল। একইসঙ্গে তারা জানিয়েছে, ইরানের ‘সন্ত্রাসী শাসনের’ কমান্ডারদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তবে হামলার সুনির্দিষ্ট স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি আইডিএফ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ইরানের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে আইডিএফ জানায়, তারা বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে আরও এক দফা হামলা চালাচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি