শিরোনাম :
পারমাণবিক আগুনে ঘি ঢালছে মধ্যপ্রাচ্য প্রশ্নপত্র বিতরণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি সরকারের: মাহদী আমিন ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে গুলি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল পুলিশ যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে খাদ্যবাজার আগামীকাল থেকে ভারি বৃষ্টির আভাস, বন্যার শঙ্কা সাংবাদিকদের নৈশভোজে গুলির ঘটনা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ছাত্রদল ছাত্র শিবির সংঘর্ষের নেপথ্যে স্থানীয় সরকার ইলেকশন ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়ে সরকার সংবাদটি সঠিক নয়: গভর্নর গর্তে পড়া অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে লড়ছে সরকার: অর্থমন্ত্রী জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, সতর্ক অবস্থানে সিটিটিসি জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারেন না: মির্জা ফখরুল

২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়ে সরকার সংবাদটি সঠিক নয়: গভর্নর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, সরকারকে ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়ে ঋণ দেওয়ার যে খবর বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, তা সঠিক নয় এবং বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। শনিবার সচিবালয়ে প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।
গভর্নর বলেন, সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘ওয়েজ অ্যান্ড মিনস’ হিসাবের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদি নগদ প্রয়োজন মেটানো হয়, যা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই হিসাবের নির্দিষ্ট সীমা প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। প্রয়োজনে অস্থায়ীভাবে ওভারড্রাফট সুবিধাও ব্যবহার করা হয়। তিনি জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এই হিসাবের স্থিতি ছিল ১৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা, যা বর্তমানে কমে ১১ হাজার ১০৩ কোটিতে নেমে এসেছে। “এটি নতুন করে টাকা ছাপানোর বিষয় নয়; বরং সরকারের নিয়মিত নগদ ব্যবস্থাপনার অংশ,” বলেন তিনি।

গভর্নর সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেশের ক্রেডিট রেটিংয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা সরকার ও বেসরকারি খাতের ঋণ গ্রহণ ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত জটিল পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। অনেক ঋণের বিপরীতে যথাযথ কাগজপত্র বা জামানত নেই। ফলে এসব ঋণকে প্রচলিত অর্থে খেলাপি না বলে অনেক ক্ষেত্রে ‘অর্থ আত্মসাৎ’ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। পাচার হওয়া অর্থ ও বেনামি সম্পদ শনাক্ত করাও বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রমে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে গভর্নর বলেন, এখনো সমন্বিত কোর ব্যাংকিং সিস্টেম চালু হয়নি। ফলে আন্তঃব্যাংক সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে পুনঃমূলধনীকরণ, বেসরকারীকরণ বা একীভূতকরণের মতো বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে, তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। গভর্নর জানান, ‘স্টার্ট-আপ বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট’ নামে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার একটি তহবিল শিগগির চালু হতে পারে। এছাড়া বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তুলতে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ৩০ জুনের পর বিকল্প কোনো কিউআর কোডের মেয়াদ বাড়ানো হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, সরকারকে ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়ে ঋণ দেওয়ার যে খবর বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, তা সঠিক নয় এবং বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।
শনিবার সচিবালয়ে প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। গভর্নর বলেন, সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘ওয়েজ অ্যান্ড মিনস’ হিসাবের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদি নগদ প্রয়োজন মেটানো হয়, যা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই হিসাবের নির্দিষ্ট সীমা প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। প্রয়োজনে অস্থায়ীভাবে ওভারড্রাফট সুবিধাও ব্যবহার করা হয়।

তিনি জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এই হিসাবের স্থিতি ছিল ১৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা, যা বর্তমানে কমে ১১ হাজার ১০৩ কোটিতে নেমে এসেছে। “এটি নতুন করে টাকা ছাপানোর বিষয় নয়; বরং সরকারের নিয়মিত নগদ ব্যবস্থাপনার অংশ,” বলেন তিনি। গভর্নর সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেশের ক্রেডিট রেটিংয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা সরকার ও বেসরকারি খাতের ঋণ গ্রহণ ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত জটিল পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। অনেক ঋণের বিপরীতে যথাযথ কাগজপত্র বা জামানত নেই। ফলে এসব ঋণকে প্রচলিত অর্থে খেলাপি না বলে অনেক ক্ষেত্রে ‘অর্থ আত্মসাৎ’ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
পাচার হওয়া অর্থ ও বেনামি সম্পদ শনাক্ত করাও বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন তিনি। একীভূত পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রমে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে গভর্নর বলেন, এখনো সমন্বিত কোর ব্যাংকিং সিস্টেম চালু হয়নি। ফলে আন্তঃব্যাংক সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে পুনঃমূলধনীকরণ, বেসরকারীকরণ বা একীভূতকরণের মতো বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে, তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। গভর্নর জানান, ‘স্টার্ট-আপ বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট’ নামে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার একটি তহবিল শিগগির চালু হতে পারে। এছাড়া বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তুলতে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ৩০ জুনের পর বিকল্প কোনো কিউআর কোডের মেয়াদ বাড়ানো হবে না।

আরও
© All rights reserved © 2026 24ghantabangladesh
Developer Design Host BD