বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য প্রদান শেষ করেছেন। এরপরই তিনি তাঁর অসুস্থ মাকে দেখতে সরাসরি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ১৮ মিনিটের দিকে সংবর্ধনাস্থল ত্যাগ করে এভারকেয়ারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তিনি।
এর আগে, দুপুর পৌনে চারটার দিকে লালসবুজ রঙে সাজানো একটি বাসে করে সমাবেশস্থলে পৌঁছান তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে রওনা হওয়ার প্রায় চার ঘণ্টা পর তিনি সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত আছেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, প্রথমেই রাব্বুল আলামিনের প্রতি শোকরিয়া আদায় করছি। মহান রাব্বুল আলামিনের দোয়ায় মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছি।
তারেক রহমান বলেন, ৭১ এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল ২০২৪ সালে তেমন সর্বস্তরের মানুষ, সবাই মিলে এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল। বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা তাদের গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, সকলে মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে। এ দেশে পাহাড়ের, সমতলের, মুসলমান, হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই আছে। আমরা নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, পুরুষ, শিশু যেই হোক না কেন নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে, যেন নিরাপদে ফিরতে পারে।
এসময় শহীদ ওসমান হাদীকে নিয়ে তিনি বলেন, ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। ৭১ এ যারা শহীদ হয়েছে, ২৪ এ যারা শহীদ হয়েছে তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মই আগামীতে দেশ গড়ে তুলবে। গণতান্ত্রিক, শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দেশকে গড়ে তুলতে হবে। আমরা দেশের শান্তি চাই।
এমএ