ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের টার্গেট করার অনুমতি পেল আইডিএফ

২৪ ঘণ্টা বাংলাদেশ রিপোর্ট
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন, এখন থেকে ইরানের যেকোনো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে অভিযান চালাতে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী-কে আলাদা অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না।

বুধবার (১৮ মার্চ) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তিনি যৌথভাবে এই নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই সরাসরি অভিযান পরিচালনা করা যায়।

কাৎজ জানান, ইরানের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে লক্ষ্যবস্তু করার এই নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তার দাবি, মঙ্গলবার গভীর রাতে চালানো এক বিমান হামলায় ইরানের গোয়েন্দা বিষয়ক মন্ত্রী ইসমাইল খতিব নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি তেহরান।

এদিকে, ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে—শুধু ইরান নয়, লেবানন-এও সামরিক পদক্ষেপ জোরদার হতে পারে। কাৎজ বলেন, ইরান ও হিজবুল্লাহ—উভয় ফ্রন্টেই অভিযান চলবে এবং সামনে আরও ‘চমক’ রয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল দাবি করেছিল, তেহরান-এ বিমান হামলায় প্রভাবশালী রাজনীতিক আলী লারিজানি তার ছেলেসহ নিহত হয়েছেন। একই সময়ে পৃথক হামলায় বাসিজ বাহিনীর প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানি নিহত হন। পরে ইরান এসব মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।

বুধবার তেহরানে লারিজানি ও সোলেইমানিসহ নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানায়, এতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

সংঘাতের শুরুতেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের একাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

এ ধরনের লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেছে তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এসব ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন ও যুদ্ধনীতির পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছেন।

সূত্র: আল জাজিরা

 

আরও
© All rights reserved © 2026 24ghantabangladesh
Developer Design Host BD