সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় আদালত তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্তে গতি আনতে তদন্ত কর্মকর্তাকে আপ্রাণ চেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজুর রহমানের আদালতে এ সংক্রান্ত শুনানি হয়। শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক। বিচারক প্রথমেই তার পরিচয় জানতে চান। জবাবে আজিজুল হক বলেন, তিনি পিবিআইয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।
এরপর বিচারক তদন্তের অগ্রগতি জানতে চাইলে তিনি বলেন— “উচ্চ আদালতের নির্দেশে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্ত শুরু হয়। পরবর্তীতে আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আমি ভুক্তভোগী সাংবাদিক, তাদের প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন ও ডিএনএ বিশেষজ্ঞদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। এর মাধ্যমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও পাওয়া গেছে। দুইজনের মিক্সড ডিএনএ পাওয়া গেলেও এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এজন্য প্রতিবেদন দিতে দেরি হচ্ছে।”
বিচারক এ বক্তব্য শোনার পর বলেন— “আগের তদন্ত কর্মকর্তাও একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছিলেন। আপনার তদন্তের অগ্রগতিতে আদালত অসন্তুষ্ট। তবে আপনি আপ্রাণ চেষ্টা করবেন।”
পরে আদালত আগামী ৩০ নভেম্বর মামলার পরবর্তী প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, এই মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ইতোমধ্যে ১২১ বার পিছিয়েছে। সর্বশেষ গত ১১ আগস্ট আদালত তদন্ত কর্মকর্তাকে স্বশরীরে হাজির হয়ে অগ্রগতি ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।





