নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

US-embassy-in-nepal-b21e3903e1d9d6f404340f985e22a7c1.jpeg
মো: আল মামুন আর্ন্তজাতিক ডেস্ক

নেপালের সদ্য গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে কাঠমান্ডুতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এ ঘোষণা দেয়।

গত সপ্তাহের সহিংসতার পর দেশজুড়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়— “গণতান্ত্রিক সমাধানের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য আমরা প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পাওদেল এবং তরুণ নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানাই।”

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, সহিংসতায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র নেপালের জনগণের সঙ্গে সমব্যথী। নেপালি সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের ভূমিকার প্রশংসা করে বিবৃতিতে বলা হয়— “শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং বেসামরিক সরকারের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।” দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন সরকার কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর হঠাৎ সহিংস রূপ নেয়। পরে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এই অস্থিরতার মধ্যে গত মঙ্গলবার পদত্যাগ করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। সহিংসতায় অন্তত ৫১ জন নিহত এবং এক হাজার ৩০০ জনের বেশি আহত হন। একই সঙ্গে ব্যাপক লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, লাইব্রেরি ও ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংসের মাধ্যমে দেশজুড়ে চরম অরাজকতা ছড়িয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব নিয়ে জটিলতা দেখা দিলেও সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে মনে করেন নেতৃবৃন্দ। সাংবিধানিক জটিলতা কাটিয়ে শুক্রবার রাতে প্রেসিডেন্ট পাওদেলের কাছে শপথ নেন কার্কি।

শপথের পর প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন, আগামী ৫ মার্চ ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হবে নেপালের সাধারণ নির্বাচন। রবিবার স্থানীয় সময় সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন সুশীলা কার্কি। তথ্যসূত্র: খবর হাব ইংলিশ

Leave a Reply

scroll to top