পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পলাশ কুমার পাল জানান, প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয়ে চারজন ভাস্কর তিন মাস ধরে প্রতিমাটি নির্মাণ করেছেন। ২০২৩ সালে ধান দিয়ে তৈরি প্রতিমা ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার সোনালি আঁশ পাটকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
এ প্রতিমা দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন শত শত মানুষ। স্থানীয় তাপস পাল বলেন, ‘‘এমন প্রতিমা আগে কখনও দেখিনি। সত্যিই অভিনব এক উদ্যোগ।’’ কাজল কুমার পাল জানান, ‘‘ধানের পর পাট দিয়ে প্রতিমা হওয়ায় আমরা গর্বিত। এটি দেশজুড়ে আলোড়ন তুলছে।’’
দর্শনার্থী ও স্থানীয়রা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ কেবল ধর্মীয় বিশ্বাসকেই নয়, বরং কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুনভাবে তুলে ধরছে। প্রতিমাকে ঘিরে ইতোমধ্যে কলারোয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, এ বছর সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলায় মোট ৫৮৭টি মণ্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ৫৫টি মণ্ডপ।