সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দীর্ঘ চার মাস ২০ দিন বন্ধ থাকার পর মাত্র তিন দিনে প্রায় দুই হাজার টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে। সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪ থেকে ৭ টাকা কমেছে।
সুলতানপুর বড়বাজারের পাইকারী ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ জানান, ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে ঢুকতেই দেশি পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫–৬৭ টাকা কেজি দরে, আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০ টাকা কেজি দরে।
ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা বলেন, রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭০টি ট্রাকে প্রায় দুই হাজার টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজার দ্রুত স্থিতিশীল হবে।
রাজস্ব কর্মকর্তা মো. রাসেল আহম্মেদ জানান, “মাত্র তিন দিনেই প্রায় দুই হাজার টন পেঁয়াজ দেশে এসেছে। ইতোমধ্যেই বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আগামী দিনগুলোতে সরবরাহ আরও বাড়বে।”
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সালেহ মোহাম্মাদ আবদুল্লাহ বলেন, বাজারে সরবরাহ বাড়লেও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে যেন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হন। ইতোমধ্যেই কেজি প্রতি দাম ৬–৭ টাকা কমেছে এবং আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থানীয় উৎপাদন দেশের চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে পারছে না। প্রতি বছর চাহিদার বড় অংশ ভারত থেকে আমদানি করতে হয়। নিয়মিত আমদানি ও সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে এবং ভোক্তারা স্বস্তি পাচ্ছেন।