দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে ১০ মিনিট স্কুলের সহযোগিতায় প্রায় ১৫ লাখ টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। ‘মার্কস অ্যাকটিভ স্কুল জিনিয়াস’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এই বৃত্তি দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আবুল খায়ের গ্রুপের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিটি বিভাগের চ্যাম্পিয়নকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পাশাপাশি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে। প্রথম রানার-আপরা ট্রফির সঙ্গে ১ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় রানার-আপরা ট্রফির সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছেন। এছাড়া প্রতিটি বিভাগে চতুর্থ থেকে দশম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের পদক ও ২৫ হাজার টাকা করে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মোট প্রায় ১৫ লাখ টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে অনলাইনে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তিনটি বিভাগ—জুনিয়র (৫ম–৬ষ্ঠ শ্রেণি), ইন্টারমিডিয়েট (৭ম–৮ম শ্রেণি) এবং সিনিয়র (৯ম–১০ম শ্রেণি)—থেকে মোট ১৫০ জন শিক্ষার্থী গ্র্যান্ড ফিনালে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত গ্র্যান্ড ফিনালে বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), শিল্পকলা এবং আইকিউ বিষয়ে তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা যাচাই করা হয়।
প্রতিযোগিতায় জুনিয়র বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজের সাদাত শরাফাত হোসাইন চৌধুরী। দ্বিতীয় হয় কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বায়েজিদ ইসলাম এবং তৃতীয় হয় সেন্ট জোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের মো. নবীহ হোসাইন।
ইন্টারমিডিয়েট বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে মাইলস্টোন কলেজের তিতাস চৌধুরী। দ্বিতীয় হয় ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজের মাহির দাইয়ান এবং তৃতীয় হয় রংপুর জিলা স্কুলের জাওয়াদ চৌধুরী।
সিনিয়র বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের আম্মার ইবনু শামীম। দ্বিতীয় হয় টাঙ্গাইল পুলিশ লাইনস আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মো. রিদওয়ানুল ইসলাম রিয়াদ এবং তৃতীয় হয় গভর্নমেন্ট সায়েন্স হাই স্কুলের আসিফ মাহমুদ।
গ্র্যান্ড ফিনালের অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ১০ মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আয়মান সাদিক। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া এবং আয়মান সাদিক।
অনুষ্ঠানে একই সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় অতিরিক্ত পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ‘মার্কস অ্যাকটিভ স্কুল ফর্টিফায়েড ইনস্ট্যান্ট মিল্ক’। স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বাড়তি পুষ্টি নিশ্চিত করতে এতে অতিরিক্ত ভিটামিন ও মিনারেল সংযোজন করা হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, এ উদ্যোগ দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেছে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।