নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় মহিলা দলের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হয়েছে।
গতকাল শনিবার রাত ১টার দিকে সৈয়দপুর শহরের থানার পাশে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জেলা মহিলা দলের সভাপতি রওনক জাহান ও সাধারণ সম্পাদক রুপার মধ্যে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিরোধ চলছে। শনিবার রাতে রওনক জাহান বহিস্কৃত এক নেত্রীকে নিয়ে দলীয় অফিসে গেলে সাধারণ সম্পাদক রুপা আপত্তি তুলেন।
এসময় তাদের দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এরই জের ধরে রওনক জাহান বাসায় ফেরার পথে থানার কাছাকাছি গেলে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় দুই গ্রুপের মোট ছয়জন আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রওনক জাহান রিনু বলেন, রুপার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত ঝামেলা ছিল না। কিন্তু সে পার্টি অফিসে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। পরে আমি বাসায় ফেরার সময় তার লোকজন আমার ওপর হামলা চালায়।
সাধারণ সম্পাদক রুপা বলেন, সভাপতির বোন জাতীয় পার্টির ভোট করায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তাকে নিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। আমি বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তর্ক শুরু করেন।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর গফুর সরকার বলেন, এটি মহিলা দলের কোনো সাংগঠনিক বিষয় নয়। পারিবারিক বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝির জেরে এই ঘটনা ঘটেছে।
সৈয়দপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, গতরাতে থানার পাশে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এক পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। পরবর্তীতে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।