সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ সাদাপাথর লুটের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়।
এর আগে খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এ ঘটনায় প্রায় দেড় হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছিল। মামলা শুক্রবার (১৫ আগস্ট) রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানায় দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ আদনান।
মামলার বাদি খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ারুল হাবীব। প্রশাসন সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লুট হওয়া পাথর উদ্ধার করে পূর্বের স্থানে প্রতিস্থাপন করছে।
সাদাপাথর লুটের ঘটনায় সিলেটসহ সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়েছে। গত তিন দিনে জাফলং ও সাদাপাথর থেকে মোট ১ লাখ ৯ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলার জৈন্তাপুরের আসামপাড়া এলাকা থেকে ৭ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করেছে র্যাব। র্যাব-৯-এর টহল টিম, সাদা পোশাকধারী সদস্য এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের সহায়তায় যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।
তাছাড়া বিভিন্ন স্থানে মাটিচাপা দিয়ে পাথর লুকিয়ে রাখার বিষয়টিও টাস্কফোর্সের অভিযানে প্রকাশ্যে আসে।
সম্প্রতি সিলেটের দুই পর্যটন কেন্দ্র—কোম্পানীগঞ্জের সাদা পাথর ও গোয়াইনঘাটের জাফলং—থেকে পাথর লুটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় হাইকোর্ট লুট হওয়া পাথর উদ্ধার ও যথাস্থানে প্রতিস্থাপন এবং লুটেরাদের তালিকা আদালতে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।