তেহরান: ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শিরাজ এলাকায় একটি চীনা তৈরি ‘উইং লুং-২’ ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—তবে কি সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ঘিরে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে রাশিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান-এর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ক্রেমলিন-এর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, উভয়
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধ দ্বিতীয় মাসে গড়িয়েছে। জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়ে সামনে এসেছে চীন, পাকিস্তানকে সঙ্গে নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় এক মাস পার হলেও এখনো জনসম্মুখে দেখা যায়নি মুজতাবা খামেনি-কে। তার এই অনুপস্থিতি ঘিরে দেশ-বিদেশে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে। এসব গুঞ্জনের মধ্যে ইরানে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-কে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের জন্য ‘এক বিপদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টি-এর কংগ্রেস সদস্যরা। তারা তার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ‘উদ্ভট, ভয়াবহ ও অশুভ’ বলেও উল্লেখ করেছেন। ওয়াশিংটন সময়
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ শেষের দিকে এগোচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তার কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা সমালোচনা ও অভিযোগের মুখে পড়েছেন। তবে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ আগে শোনা যায়নি। সম্প্রতি এ ধরনের কিছু অভিযোগ সামনে আসায়
ইরানে পারমাণবিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে পদত্যাগ করেছেন জাতিসংঘের এক কূটনীতিক। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও এক্সে দেওয়া পোস্টে এই দাবি তুলে ধরে দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হরমুজ প্রণালি শক্তি প্রয়োগে সচল করার পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থলবাহিনীর উপস্থিতি এই ঝুঁকিপূর্ণ
তেহরান যদি অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলকূপ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপসহ দেশটির বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড