সরকার বলছে, ইন্টারনেটের দাম কমেছে। কিন্তু বাস্তবে কি গ্রাহকরা সেই সুবিধা পাচ্ছেন? বিটিআরসি ঘোষণা দিয়েছে—৫ এমবিপিএস ইন্টারনেট এখন ৪০০ টাকায় পাওয়া যাবে। আগে এর দাম ছিল ৫০০ টাকা। ১০ এমবিপিএস
সম্প্রতি সমকালসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, “বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা মুক্তিযোদ্ধা নন” কিংবা “বাতিল হলো চার শতাধিক রাজনীতিবিদের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি”—এমন এক প্রোপাগান্ডামূলক উপস্থাপন, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। অথচ
২০২৪ সালের জুলাই। দেশের রাজপথে উত্তাল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। গুলিতে ঝরে যায় তরতাজা দুটি প্রাণ—রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ ও ঢাকার তরুণ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। তাদের মৃত্যুই
বাংলাদেশের মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসব—ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। তবে এই দুই ঈদের আনন্দের রূপ এক নয়। রোজার ঈদের আনন্দ আসে এক মাস সংযম সাধনার পুরস্কার হয়ে, আর
সমাজে প্রায়শই আমরা কিছু ধারণার মোহবশত কাউকে শ্রেণিবদ্ধ করে ফেলি—একজন রিকশাওয়ালাকে গরীব, একজন সুশিক্ষিত শহুরে ব্যক্তিকে সফল। কিন্তু কি আছে সত্যের মূল্যায়নে? সম্প্রতি একটি আলোচনায় মাসে ৩০ হাজার টাকা রোজগার
জাতীয় সংগীত কোনো দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক। এটি একটি জাতির ঐক্য ও আবেগের প্রকাশ। তবে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক বা সামাজিক কারণে জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের ঘটনা
গতকাল রাতে ভারত আজাদ কাশ্মীরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এ হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৬ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর জবাবে পাকিস্তান পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে বলে জানিয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, তাদের
২১শে এপ্রিল, ২০২৫—একটি খোলা চিঠি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। একজন তরুণ শিক্ষার্থী—আবদুল্লাহ আল সৈকত, কুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগের ছাত্র, একজন গবেষণার স্বপ্ন দেখা তরুণ—তার লেখা সেই চিঠিতে উঠে আসে এক গভীর
বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা সাংবিধানিকভাবে স্বাধীন—এটি আমরা বহুবার উচ্চারণ করি। তবে বাস্তবতা বহু ক্ষেত্রেই এই স্বাধীনতার প্রতিফলন ঘটায় না। দেশের সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথ এখনো বহু বাঁধা-বিপত্তিতে জর্জরিত। ইতিহাস সাক্ষ্য