বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের করা যৌন হয়রানির অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। চারটি অভিযোগ পর্যালোচনা করে গঠিত স্বাধীন অনুসন্ধান কমিটি দুইটির ক্ষেত্রে প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে, তবে বাকি দুইটির পক্ষে কোনো প্রমাণ মেলেনি।
জাহানারা আলম বাংলাদেশ নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও টিম ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মঞ্জুরুল ইসলামের কিছু আচরণ পেশাদার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না এবং সেগুলো হয়রানির পর্যায়ে পড়তে পারে।
বিসিবি জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিসিবির নীতিমালা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করতে বোর্ড নতুন করে একটি অভিযোগ কমিটি গঠন করেছে, যা স্বাধীন অভিযোগ গ্রহণ পদ্ধতি তৈরি এবং সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাহানারা আলমের চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পর্যালোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তবে বাকি দুটি অভিযোগের ক্ষেত্রে তৎকালীন নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের অনুপযুক্ত আচরণের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার সঙ্গে বিসিবির চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হয়েছে।
তদন্ত কমিটি আরও উল্লেখ করেছে, সুপ্রিম কোর্টের প্রযোজ্য নির্দেশনা অনুযায়ী কিছু আচরণ অসদাচরণ ও হয়রানির সংজ্ঞার মধ্যে পড়তে পারে।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে জাহানারা আলম অভিযোগ করেন, মঞ্জুরুল ইসলাম তার সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করেছেন। তিনি দাবি করেন, ব্যক্তিগত বিষয়ে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করা, অনুপযুক্ত প্রস্তাব দেওয়া এবং হ্যান্ডশেকের পরিবর্তে জড়িয়ে ধরার মতো ঘটনা ঘটেছে।
জাহানারা আরও অভিযোগ করেন, তিনি একাধিকবার বিসিবির কাছে এসব ঘটনার অভিযোগ জানালেও কার্যকর প্রতিকার পাননি। তার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার রুমানা আহমেদ এবং সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ রেশমা আক্তার আদুরিও নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা গণমাধ্যমে তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিসিবি গত বছরের ৮ নভেম্বর পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল।
জাহানারার যৌন হয়রানির চার অভিযোগের মধ্যে দুইটির প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি
ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের করা যৌন হয়রানির অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। চারটি অভিযোগ পর্যালোচনা করে গঠিত স্বাধীন অনুসন্ধান কমিটি দুইটির ক্ষেত্রে প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে, তবে বাকি দুইটির পক্ষে কোনো প্রমাণ মেলেনি।
জাহানারা আলম বাংলাদেশ নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও টিম ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মঞ্জুরুল ইসলামের কিছু আচরণ পেশাদার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না এবং সেগুলো হয়রানির পর্যায়ে পড়তে পারে।
বিসিবি জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিসিবির নীতিমালা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করতে বোর্ড নতুন করে একটি অভিযোগ কমিটি গঠন করেছে, যা স্বাধীন অভিযোগ গ্রহণ পদ্ধতি তৈরি এবং সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাহানারা আলমের চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পর্যালোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তবে বাকি দুটি অভিযোগের ক্ষেত্রে তৎকালীন নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের অনুপযুক্ত আচরণের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার সঙ্গে বিসিবির চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হয়েছে।
তদন্ত কমিটি আরও উল্লেখ করেছে, সুপ্রিম কোর্টের প্রযোজ্য নির্দেশনা অনুযায়ী কিছু আচরণ অসদাচরণ ও হয়রানির সংজ্ঞার মধ্যে পড়তে পারে।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে জাহানারা আলম অভিযোগ করেন, মঞ্জুরুল ইসলাম তার সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করেছেন। তিনি দাবি করেন, ব্যক্তিগত বিষয়ে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করা, অনুপযুক্ত প্রস্তাব দেওয়া এবং হ্যান্ডশেকের পরিবর্তে জড়িয়ে ধরার মতো ঘটনা ঘটেছে।
জাহানারা আরও অভিযোগ করেন, তিনি একাধিকবার বিসিবির কাছে এসব ঘটনার অভিযোগ জানালেও কার্যকর প্রতিকার পাননি। তার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার রুমানা আহমেদ এবং সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ রেশমা আক্তার আদুরিও নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা গণমাধ্যমে তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিসিবি গত বছরের ৮ নভেম্বর পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল।





