দেশের ক্রিকেটের দুটি প্রভাবশালী তারকা, মাশরাফি বিন মুর্তজা এবং সাকিব আল হাসান, বর্তমানে নিভৃতে সময় কাটাচ্ছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে তাদের অবস্থান জাতীয় দলের বাইরে পড়ে গিয়েছিল। এর পর থেকে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তাদের অবদান দেখা না গেলেও, মাঠে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরে এক ইফতার অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, “আমি নিজেও একজন খেলোয়াড় ছিলাম। সাকিব এবং মাশরাফি বাংলাদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। দেশের মানুষের তাদের প্রতি যে ভালোবাসা এবং খেলার প্রতি আকর্ষণ, তা আমরা সকলেই জানি। তবে তাদের বিরুদ্ধে যে মামলা রয়েছে, তা রাষ্ট্রীয় বিষয়। তাদের আইনজীবীদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া মেনে চলতেই হবে।”
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, “তারা যদি নিরপরাধ প্রমাণিত হয়ে দেশে ফিরে খেলতে চান, একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে আমি তাদের স্বাগত জানাব। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন এবং নির্দোষ প্রমাণিত হলে মাঠে ফেরার ক্ষেত্রে সরকার শতভাগ নমনীয় থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
মাশরাফি ও সাকিব দুজনই দীর্ঘদিন ধরে দেশের ক্রিকেটকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় অর্জন নিয়ে এসেছেন। প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য মূলত নতুন সরকারের নীতি প্রতিফলিত করছে—আইনগত বাধ্যবাধকতা মেনে, নিরপরাধ প্রমাণিত হলে জাতীয় দলের জন্য তাদের ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে।
এই বার্তা ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। বিশেষ করে জাতীয় দলের জন্য এই দুই তারকা অধিনায়কের অভাব দীর্ঘদিন অনুভূত হয়েছে। এখনই সকলের নজর ক্রীড়ামন্ত্রীর কথার উপর, যা সম্ভাব্য পুনরুদ্ধার ও দলের শক্তি বৃদ্ধি প্রক্রিয়ার সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।





