পাবনা-২ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় সরব বেড়া পৌর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা

1770387740565.jpg
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পাবনা-২ (বেড়া–সুজানগর) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার হয়েছে। এ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা প্রচারণা চালালেও বর্তমানে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব এবং জামায়াত সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিনকে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় দেখা যাচ্ছে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেড়া পৌর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালান। এ সময় তারা স্থানীয় বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন এবং ভোটারদের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকেই দুই প্রধান প্রার্থী তাদের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী এলাকা বেড়া ও সুজানগরের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, পথসভা, মিছিল এবং লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ফেস্টুন ও ব্যানারের উপস্থিতি বেশি চোখে পড়ছে।

অন্যদিকে লাঙ্গল, হাতপাখা ও উদীয়মান সূর্য প্রতীকের প্রার্থীদের প্রচারণা তুলনামূলক কম দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা। অনেক ভোটার জানান, বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত দুই প্রার্থী ছাড়া অন্যান্য প্রার্থীদের তারা এখনো সরাসরি দেখেননি।

পাবনা-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী আফজাল হোসেন কাসেমী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মেহেদী হাসান রুবেল এবং গণফোরামের প্রার্থী শেখ নাসির উদ্দিন।

নির্বাচনের আর মাত্র ছয়দিন বাকি থাকলেও সরেজমিনে ভোটারদের মধ্যে তেমন নির্বাচনী উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়নি। স্থানীয় হাটবাজার ও চায়ের দোকানগুলোতেও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা তুলনামূলক কম দেখা গেছে। পোস্টারবিহীন নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে স্বল্পশিক্ষিত ভোটারদের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এদিকে নির্বাচনী এলাকার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে ঘুরে দেখা গেছে, অনেক ভোটার গণভোট সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন না। অনেকেই জানিয়েছেন, সংসদ সদস্য নির্বাচনে ভোট দেওয়ার বিষয়ে তারা সচেতন থাকলেও গণভোটের ব্যালটে কীভাবে ভোট দিতে হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। আবার কিছু ভোটার এনআইডি বাতিল হওয়ার গুজব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কার্যকর প্রচারণা প্রয়োজন।

 

Leave a Reply

scroll to top