দেশের বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজের আরও ২ হাজার ৬৮৪ জন শিক্ষক ও কর্মচারী সরকারি বেতন-ভাতার (এমপিও) আওতায় আসছেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) অনুষ্ঠিত চলতি বছরের প্রথম এমপিও কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক বি. এম. আব্দুল হান্নান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এমপিওভুক্ত হতে যাওয়া এই জনবলের মধ্যে স্কুল পর্যায়ের ২ হাজার ১৯৫ জন এবং কলেজ পর্যায়ের ৪৮৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
মাউশি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, স্কুল পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হয়েছেন ঢাকা অঞ্চলে (৭১৫ জন), এর পরেই রয়েছে বরিশাল (৪৩৮ জন) ও রাজশাহী (৩৩০ জন)। এছাড়া ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৩০২ জন, সিলেটে ১৬২ জন, রংপুরে ৮৮ জন এবং চট্টগ্রামে ৬০ জন নতুন করে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। সবচেয়ে কম সুবিধা পেয়েছেন কুমিল্লা (৪৪ জন) ও খুলনা (৫৬ জন) অঞ্চলের আবেদনকারীরা।
অন্যদিকে, কলেজ পর্যায়েও ঢাকা অঞ্চল শীর্ষে রয়েছে, যেখান থেকে ২০৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী এমপিও সুবিধা পাবেন। এছাড়া রংপুরে ৯৩ জন, খুলনায় ৭৭ জন এবং রাজশাহীতে ৫৩ জন এমপিওভুক্ত হয়েছেন। অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে বরিশালে ২৭ জন, সিলেটে ১৩ জন এবং ময়মনসিংহে ১০ জন এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন। তবে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা অঞ্চলে এই সংখ্যা ছিল নামমাত্র—যথাক্রমে ২ ও ৫ জন।
মাউশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে তৃণমূল পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে বিরাজমান জনবল সংকট লাঘব হবে। সরকারি কোষাগার থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা পাওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে কর্মস্পৃহা বাড়বে, যা সরাসরি পাঠদানের মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।





