বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেঘমল্লার বসু স্বীকার করেছেন, ‘সাদিক কায়েম পাকিস্তানি’ স্লোগানটি রাজনৈতিকভাবে সঠিক ছিল না। তিনি এটিকে ‘রাজনৈতিকভাবে ইনকারেক্ট’ বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘সাদিক কায়েম পাকিস্তানি স্লোগানটি রাজনৈতিকভাবে ইনকারেক্ট। এই স্লোগান দেওয়া আমার ঠিক হয় নাই। ইট ওয়াজ বিনিথ মি।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে এ প্রজন্মের শিবির নেতাদের নিয়ে এমন স্লোগান আর দেবেন না এবং কমরেডদেরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তবে তার ভাষায়, ‘বাকি যা করসি, বেশ করসি, আরও করব।’
এর আগে ৫ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ‘জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে ছাত্রশিবির আয়োজিত একটি ছবির প্রদর্শনী ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত জামায়াত নেতাদের ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি প্রদর্শন করে শিবির।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলো তীব্র প্রতিবাদ জানায়। প্রতিবাদের সময় মেঘমল্লার বসু নেতৃত্বে ছিলেন, এবং সেখানেই তিনি বিতর্কিত ওই স্লোগানটি দেন— ‘সাদিক কায়েম পাকিস্তানি, তুমিও জানো, আমিও জানি।’
সামাজিক মাধ্যমে স্লোগানটি ঘিরে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ তীব্র সমালোচনা করে। অনেকে এই স্লোগানকে ব্যক্তি আক্রমণ এবং অতীত ইতিহাসকে অকারণে বর্তমানের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখেন। এপ্রসঙ্গে মেঘমল্লারের স্ট্যাটাসটিকে একধরনের ক্ষতিপূরণমূলক অবস্থান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।





