প্রথম দফায় সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর চলতি সপ্তাহেই পুনরায় শান্তি আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এই সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন।
‘নিউইয়র্ক পোস্ট’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আপনাদের সেখানে (ইসলামাবাদে) থাকা উচিত; কারণ আগামী দুই দিনের মধ্যে বড় কিছু ঘটতে পারে। আমরা এই আলোচনা এগিয়ে নিতে বেশ আগ্রহী।”
এর আগে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে গত শনি ও রবিবার দুই দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসলেও কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেননি। এই ব্যর্থতার জন্য দুই দেশই একে অপরকে দায়ী করেছে।
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ওই ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। অন্যদিকে, ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আয়োজক ও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দুই পক্ষের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার ‘ম্যারাথন’ আলোচনার পর মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন:
“যুক্তরাষ্ট্র নমনীয়তা ও সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছিল। অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা হয়েছে—এটা ইতিবাচক। তবে দুঃখজনকভাবে আমরা এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারিনি।”
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই বলেন, এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার সাফল্য নির্ভর করছে বিপরীত পক্ষের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছার ওপর। তিনি ওয়াশিংটনকে ‘অতিরিক্ত ও অবৈধ দাবি’ পরিহার করে ইরানের ‘বৈধ অধিকার ও স্বার্থ’ মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।
সূত্র: বিবিসি





