অসুস্থতার কারণে আগামী ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সমাবেশে যোগ দিতে পারছেন না বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রীর। তার
আগামী সংসদ নির্বাচনের সময় নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্য বক্তব্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) গুলশানে
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সেল সম্পাদক (দফতর সেল) জাহিদ আহসানের সই করা এক সংবাদ
এক থেকে দুই মাসের মধ্যে, ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহবায়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। তিনি বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি
অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন দিয়ে জনগণের হাতে ক্ষমতা দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আগামী সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর (ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি) ছাড়া দেশব্যাপী সব জেলা ও মহানগরে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত হবে।
জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী খুব দ্রুত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, “আমরা সব সময় আশাবাদী। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে ভুলে গেলে চলবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পাশাপাশি তিনি মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রত্যাহার করা উচিত। তিনি
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আজ পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রকৃত গণতন্ত্রের চর্চা করতে হবে। হারিয়ে যাওয়া আইনের শাসন, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং বহুমত ও পথের