রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের

সম্পদ ও লিজ ব্যবস্থাপনায় প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক মানদণ্ড চালু

IMG-20250808-WA0014.jpg
মো: আল মামুন নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান (এসওই) ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর (এবি) সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বৈশ্বিক মানদণ্ডের নীতি চালু হলো বাংলাদেশে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উদ্যোগে প্রণীত দেশের প্রথম ‘প্রপার্টি, প্ল্যান্ট অ্যান্ড ইকুইপমেন্ট (পিপিই) ও লিজ ব্যবস্থাপনা নীতি ও প্রক্রিয়া ম্যানুয়াল’ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) উদ্বোধন করেন অর্থ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সেলেহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি জানান, এসওই ও এবিগুলোর সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়াতে পারলে সরকারের ৬.৫ লাখ কোটি টাকার সম্ভাব্য দায় (কনটিনেজেন্ট লায়াবিলিটি) উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। এজন্য পূর্ণাঙ্গ ও হালনাগাদ সম্পদ নিবন্ধনপত্র (অ্যাসেট রেজিস্টার) রাখা অপরিহার্য।

অর্থ বিভাগের সচিব ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নাসরিন সুলতানা (গ্রেড-১), অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ এবং অতিরিক্ত সচিব রহিমা বেগম। বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন যুগ্ম সচিব মো. আমিরুল ইসলাম ও মো. ফিরোজ আহমেদ।

উপস্থাপনায় জানানো হয়, নতুন নীতিমালায় জমি, ভবন, যন্ত্রপাতি, সফটওয়্যার ও মেধাস্বত্বসহ দীর্ঘমেয়াদি দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সম্পদের শ্রেণিবিন্যাস, মূল্যায়ন, অবচয়, পুনর্মূল্যায়ন ও নিষ্পত্তির সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। ৫০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের ব্যয় রেকর্ডে অর্থ বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ১২ মাসের বেশি মেয়াদি ও ৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যের ফাইন্যান্স লিজে ‘রাইট-অফ-ইউজ’ সম্পদ ও লিজ দায় হিসাবভুক্ত করতে হবে। অপারেটিং লিজ ব্যয় চুক্তির মেয়াদ অনুযায়ী হিসাব করা হবে।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই ম্যানুয়াল বাস্তবায়নের ফলে আর্থিক প্রতিবেদন হবে আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল, জবাবদিহিতা বাড়বে এবং সরকারি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সম্পদ ব্যবস্থাপনাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

 

Leave a Reply

scroll to top