কুমিল্লায় ভাড়া বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ও তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, দুজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যার কারণ এখনও অজানা।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে নগরীর সুজানগর এলাকার ‘নেলী কটেজ’ নামের একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন— কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ছাত্রী সুমাইয়া আফরিন এবং তার মা তাহমিনা (৪৫)। তারা ওই কটেজে বসবাস করছিলেন।
নিহত সুমাইয়া আফরিন লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। সোমবার তার সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা থাকার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষার আগের রাতেই ঘটে যায় এই হত্যাকাণ্ড। বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদাউস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিক জানান, রোববার রাত আড়াইটার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আলাদা দুটি কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। দুপুর পৌনে ১টার দিকে নগরীর কান্দিরপাড় এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়।





