নামাজের পর অনুষ্ঠিত হয় ঈদের ঐতিহ্যবাহী কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময়। সেখানে বিশেষ আয়োজন হিসেবে শিশুদের জন্য চকোলেট ও জুস ও মিস্টান্নসহ বিভিন্ন পছন্দনীয় খাবারের ব্যবস্থা, যা এবার তাদের ঈদ আনন্দে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।
প্রসঙ্গত, প্রথমবারের মতো এবার রাবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের পৃথক জামায়াত আয়োজনে মহিলাদের নামাজের ব্যবস্থা করা হয়।
ঈদের নামাজের পর উপাচার্য তাঁর মন্তব্যে বলেন ঈদ-উল-ফিতর আমাদের অন্যতম আনন্দ উৎসব। ঈদ আমাদের সবার জীবনে বয়ে আনুক আনন্দ ও কল্যাণের বারতা। ঈদ দেশ-জাতি-সমাজে সবার মধ্যে গড়ে তুলুক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন। ঈদ-উল-ফিতরের এই আনন্দ বার বার ফিরে আসুক আমাদের জীবনে। মহিলাদের ঈদ জামায়াত আয়োজনে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে তিনি ধন্যবাদ জানান।