গুম সংক্রান্ত অধ্যাদেশে নীতিগত অনুমোদন, থাকছে মৃত্যুদণ্ডের বিধান

540990590_776902351410289_3498453160370580777_n-aedea8108f14da0ff19ac47f7a32bbd5.jpg
মো: আল মামুন বিশেষ প্রতিনিধি

‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’–এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। আরও পর্যালোচনা শেষে এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

বৈঠক-পরবর্তী ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, গুম সংক্রান্ত কমিশনের মতামত, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থা ও সংগঠনের মতামতের ভিত্তিতে এবং আইন ও বিচার বিভাগ আয়োজিত দুটি মতবিনিময় সভা থেকে প্রাপ্ত পরামর্শ পর্যালোচনার পর খসড়া অধ্যাদেশটি পরিমার্জন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “অধ্যাদেশের খসড়ায় গুমকে একটি চলমান অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়ন করা হয়েছে এবং এতে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।”

গোপন আটক কেন্দ্র স্থাপন বা ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ. জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুম সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা প্রদান, , ম প্রতিরোধ ও বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান, অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা, ভুক্তভোগী, তথ্যদাতা ও সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত, ভুক্তভোগীদের জন্য ক্ষতিপূরণ ও আইনগত সহায়তার ব্যবস্থা।

ব্রিফিংয়ে তিনটি স্থলবন্দর বন্ধের প্রসঙ্গেও কথা বলেন প্রেস সচিব। তিনি জানান, “সীমান্ত এলাকার কিছু রাজনীতিবিদের রাজনৈতিক বিবেচনায় এসব বন্দরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে ওই পাড়ে কোনও অবকাঠামো তৈরি হয়নি এবং উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যও হচ্ছে না। ফলে সেখানে অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ সরকারের জন্য অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

Leave a Reply

scroll to top