ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। এতে ২৪টি অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে—যা রমজান শুরুর আগেই অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধে, অর্থাৎ ভোটের আনুমানিক ৬০ দিন আগে।
আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এই রোডম্যাপ ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, “আমরা আগামী নির্বাচনকে ঘিরে ২৪টি ধাপে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করেছি। প্রতিটি ধাপ পরস্পর নির্ভরশীল এবং ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নযোগ্য।”
রোডম্যাপ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসেই রাজনৈতিক দল, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, নারী নেতৃত্ব ও অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করবে নির্বাচন কমিশন।
সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “সংলাপ আমাদের কর্মপরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নির্বাচনের পরিবেশ ও অংশগ্রহণমূলকতা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা হবে।”
সংক্ষেপে রোডম্যাপের মূল বিষয়সমূহ:
ভোটগ্রহণ: ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে (রোজার আগেই)
তফসিল ঘোষণা: ডিসেম্বর ২০২৫-এর প্রথমার্ধে
সংলাপ শুরু: সেপ্টেম্বর ২০২৫
কর্মপরিকল্পনার ধাপ: মোট ২৪টি
নির্বাচন কমিশনের মতে, এ রোডম্যাপের উদ্দেশ্য হলো—ভোটের আগে স্বচ্ছতা, সুশাসন ও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।