ইসরায়েলে আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। আজ শনিবার (২৮ জুন) সকালে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা এই হামলা চালায়। ক্ষেপণাস্ত্রটি ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে বলে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে। তবে এই হামলায় দেশজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দক্ষিণ ইসরায়েলের কয়েকটি শহরে সাইরেন বেজে ওঠে।
আইডিএফের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটি শনাক্ত করার সঙ্গে সঙ্গেই তা ভূপাতিত করার চেষ্টা করা হয় এবং তারা এতে সফল হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
হামলার পরপরই দক্ষিণ ইসরায়েলের বেয়ারশেবা, ডিমোনা, আরাদ এবং আশেপাশের এলাকায় জরুরি সাইরেন বেজে ওঠে। সাইরেন বাজার প্রায় চার মিনিট আগে বাসিন্দাদের কাছে ফোনে পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে একটি প্রাথমিক সতর্কতা পাঠানো হয়েছিল, যা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে বেসামরিক নাগরিকদের সতর্ক করে।
হামলার দায় স্বীকার করে হুথিরা একটি বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, তারা বেয়ারশেবাতে সংবেদনশীল ইসরায়েলি শত্রু লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তাদের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “অভিযানটি সফলভাবে তার লক্ষ্য অর্জন করেছে, আল্লাহর শুকরিয়া।”
২০২৩ সালের নভেম্বরে লোহিত সাগরে ইসরায়েল ও মার্কিন সমর্থিত নৌযানে হামলা শুরু করার পর থেকেই হুথিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দফায় দফায় ইয়েমেনে হামলা চালিয়েছে, কিন্তু হুথিদের কার্যক্রম থামানো যায়নি।
হুথি গোষ্ঠী ইরান সমর্থিত এবং পশ্চিমাদের সঙ্গে ইরানের প্রক্সি যুদ্ধে লিপ্ত। তাদের মূল স্লোগানগুলোর মধ্যে রয়েছে, “আমেরিকা ও ইসরায়েলের মৃত্যু, ইহুদিদের ওপর অভিশাপ।” এই হামলা ইসরায়েল-ইয়েমেন উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





