ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি–এর স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহ বেঁচে আছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। এর আগে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় স্বামীর সঙ্গে তিনিও নিহত হয়েছেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল।
ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে গেলেও মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহ গুরুতর আহত হয়েছেন। আগের যেসব খবরে তার মৃত্যুর দাবি করা হয়েছিল, সেগুলো সঠিক নয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এর আগে ইরানের কয়েকটি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর তিনি মারা গেছেন। এমনকি আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছিল, তিনি কোমায় চলে গেছেন। তবে পরে ফার্স নিউজ জানায়, প্রাথমিকভাবে আহত হওয়ার খবর ভুলভাবে ব্যাখ্যা করার কারণেই তার মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জীবিত থাকার বিষয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমি যতটুকু জানি, সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বেঁচে আছেন।”
উল্লেখ্য, মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহ ইরানের মাশহাদ শহরের একটি ধর্মীয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি আলি খামেনিকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে ছয় সন্তান রয়েছে।
রাজনৈতিক সংগ্রামের নানা কঠিন সময়, কারাবাস ও অনিশ্চয়তার মধ্যে স্ত্রীর সমর্থনের কথা অতীতে বহুবার কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। সাম্প্রতিক হামলার ঘটনার পর তাদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও ইরানি কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রচারিত অনেক তথ্যই বিভ্রান্তিকর বা অসম্পূর্ণ।





