মিরপুরে জমজমাট ঈদ বাজার, ফুটপাতেও ক্রেতার ভিড়

mirpur1-20260314184040.webp
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। বিভিন্ন বিপণিবিতান, শপিংমল ও ফুটপাতের দোকানে সকাল থেকেই ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে মিরপুরের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। অনেক ক্রেতার হাতে ছিল একাধিক শপিং ব্যাগ, চোখেমুখে উৎসবের আমেজ। তবে ব্যবসায়ীদের মতে, বিকেলের পর থেকে ক্রেতার সংখ্যা আরও বাড়বে।

শপিংমলের পাশাপাশি ফুটপাতের দোকানগুলোতেও ছিল ক্রেতাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি। ঈদ কেনাকাটায় সাধারণত প্রথমেই জামা-কাপড় কেনেন ক্রেতারা। পরে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে জুতা, কসমেটিকসসহ অন্যান্য সামগ্রী কিনতে দেখা যায়।

মিরপুরের একটি শপিং সেন্টারের চারতলায় দুই মেয়ের জন্য জুতা কিনতে এসেছিলেন শামীম আহমেদ। তিনি বলেন, “রোজার শুরুতেই মেয়েদের জামা কিনেছিলাম। আজ ছুটি পেয়ে তাদের জন্য জুতা কিনতে এসেছি। ভিড় এড়াতে সকালে এসেছি, কারণ সন্ধ্যার পর এখানে পা ফেলার জায়গা থাকে না।”

ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই ক্রেতা বাড়ছে। বিশেষ করে ইফতারের পর থেকে বেচাকেনা আরও বাড়বে বলে তারা আশা করছেন। চাঁদরাত পর্যন্ত বিক্রি জমজমাট থাকবে বলেও জানান তারা।

মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, ছেলেদের স্যান্ডেল ও কেডস এবং মেয়েদের হিল জুতার চাহিদা বেশি। ডিজাইন ও ব্র্যান্ডভেদে ছেলেদের স্যান্ডেল ও কেডসের দাম ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের জুতার দাম ৮০০ থেকে প্রায় ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত।

মিরপুরের শাহ আলী মার্কেটের একটি জুতার দোকানের ব্যবসায়ী মোকাররম বলেন, “এখন ক্রেতার চাপ বেশ ভালো। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিক্রি বেশি হয়। ছেলেদের লোফার ও কেডস ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এক দামে বিক্রি করায় ক্রেতারা খুব একটা দরদাম করছেন না।”

রোজার দিনে ভিড় এড়াতে অনেকেই সকালেই কেনাকাটা সেরে ফেলছেন। বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, নারী ক্রেতাদের মধ্যে সুতি ও আরামদায়ক সিল্কের থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি। পাশাপাশি শাড়ি, টুপি ও বিভিন্ন ধরনের পোশাকেও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

এদিকে পাঞ্জাবির দোকানেও ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। কসমেটিকস ও পুরুষদের বেল্টের দোকানেও ছিল ভিড়।

মিরপুর শপিং সেন্টারের ‘পেলেস’ দোকানের কর্মচারী আকরাম জানান, “পাঞ্জাবি, শার্ট ও প্যান্টের বিক্রি বেশি হচ্ছে। চাঁদরাত পর্যন্ত পাঞ্জাবি বিক্রি চলবে। ক্রেতাদের সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন দামের পাঞ্জাবি রাখা হয়েছে।”

চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ২০ অথবা ২১ মার্চ দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।

 

Leave a Reply

scroll to top