সেভেন সিস্টার্স নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যে মন্তব্য করেছেন তা নতুন নয় বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত ড. খলিলুর রহমান।
বুধবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান। তাই সব দেশের প্রধানদের সঙ্গে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা দরকার।
জানা গেছে, সফরের প্রথমদিন প্রধান উপদেষ্টা ইয়ুথ কনফারেন্সে যোগ দেবেন। পরদিন সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। এছাড়া সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সম্মেলনে তিনটি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।
ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, সেভেন সিস্টার্স নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা যে বক্তব্য দিয়েছেন; সেটা শুধু এবারই বলেননি, আগেও বলেছেন। কানেকটিভিটি এ অঞ্চলের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে। আমরা এটা জোর করে চাপিয়ে দেব না।
বিমসটেক সম্মেলনে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে মিটিংটা হতে পারে। এটা নিয়ে আগ বাড়িয়ে বলার সুযোগ নেই। এই আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ, আমরা পরবর্তী সময়ে চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছি। তাই সবাই চাইবে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করার।
রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কিছু ফোকাস ঠিক হয়েছে। সেগুলো এগিয়ে নিতে আমরা কাজ করব। একক শক্তিতে এটি করার চেয়ে রিজিওনাল কো-অপারেশনে এটা করা সহজ হবে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোও এই খবরটি ফলাও করে প্রচার করছে। তবে তারা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত ড. খলিলুর রহমানের বক্তব্যের বেশি কিছু জানাতে সক্ষম হয়নি। তবে তাদের অনেকের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে, বাংলাদেশ-বারতের আগামী দিনের সম্পর্কের ক্ষেত্র কতটা প্রসারিত হতে পারে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে থাইল্যান্ডে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংকক যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই সফরে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হবেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন।