ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থেই অধিভুক্ত কলেজগুলোর বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “এই সিদ্ধান্ত সহজ ছিল না, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক মান রক্ষা এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য এটি প্রয়োজনীয় ছিল।”
উপাচার্যের মতে, অধিভুক্ত কলেজগুলোর সঙ্গে পরিচালনা ও প্রশাসনিক সমন্বয় করতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। তিনি আরও বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাঠামো ঠিক রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা দেখেছি, অধিভুক্ত কলেজগুলোর একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ছিল। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাঠামো ও শিক্ষার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই জরুরি হয়ে উঠেছিল।”
অধিভুক্ত বাতিলের ফলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কীভাবে প্রভাবিত হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে উপাচার্য আশ্বস্ত করে বলেন, “আমরা শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই কাজ করছি।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ একে ইতিবাচক মনে করছেন, আবার কেউ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি তুলেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সব পক্ষের মতামত ও সহযোগিতা নিশ্চিত করাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।
বিশ্লেষকরা আরো জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান। বিশ্লেষকদের মতে, সাত কলেজ অধিভুক্ত থাকার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও গবেষণা কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রেও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে অনেকের ধারণা।